ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

রাত পোহালেই মন্দিরে মন্দিরে শুরু হবে সরস্বতী পূজা

স্বপন কুমার রায়
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪ ৮:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

স্বপন কুমার রায় খুলনা জেলাপ্রতিনিধি
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ হলো স্বরসতী পুজো।সেই অনুযায়ী, আজ রাত পোহালেই মন্দিরে মন্দিরে শুরু হবে সরস্বতী পূজা। বিদ্যার দেবী সরস্বতীর পূজা করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সনাতন ধর্মালম্বীদের ঘরে ঘরে। শাস্ত্র অনুসারে, সাদা রাজহাঁসে চড়ে বীণা হাতে পৃথিবীতে আসেন দেবী সরস্বতী।রাজহাঁস সৌন্দর্য এবং নৃত্যের প্রতিনিধিত্ব করে। এই কারণে মা সরস্বতীকে হংসবাহিনী বলা হয়। মা সরস্বতীকে নদীর তীরে বসে থাকতে দেখা যায়। নদীই জীবনের অস্তিত্ব। দেবী সরস্বতী সর্বদা পদ্মের আসনে বসেন। শাস্ত্রমতে, পদ্ম ফুল জ্ঞান এবং বিশুদ্ধতার প্রতিনিধিত্ব করে। এছাড়া মায়ের হাতে বীণা ও বেদ শোভা পায়। বীণা এবং বেদ শিক্ষা, জ্ঞান, সঙ্গীত, নৃত্য এবং শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
বিশেষ করে বাচ্ছাদের মধ্যে এই পুজো নিয়ে উৎসাহ সবচেয়ে বেশি থাকে।প্রতিটি স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি সাধারণ মানুষের বাড়ীতে বাড়িতেও পুজো করা হয় স্বরসতী মায়ের।২০২৪ সালের স্বরসতী পুজো এবং ভ্যালেন্টাইন ডে একই দিনে পড়েছে।
হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী দেবী সরস্বতী হলেন জ্ঞানের দেবী। সরস্বতী মায়ের কাছ থেকে জ্ঞান লাভের জন্যই মায়ের আরাধনা করা হয়ে থাকে।মা সরস্বতী হলুদ ও সাদা রং খুব পছন্দ করেন। সাদা রঙ পবিত্রতার প্রতীক এবং হলুদ রঙ ইতিবাচকতার প্রতীক। মা সরস্বতী রাজহাঁস এ চড়েন। এছাড়া মায়ের হাতে বীণা ও বেদ শোভা পায়। বীণা এবং বেদ শিক্ষা, জ্ঞান, সঙ্গীত, নৃত্য এবং শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
সরস্বতী পুজোর তিথি পড়ছে ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২.৪১ মিনিট থেকে। ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২.০৯ মিনিট পর্যন্ত থাকবে তিথি। ফলে এবারেও ভোরবেলা উঠেই মা সরস্বতীকে অঞ্জলী দিয়ে ফেলতে হবে। তবে তার আগে, মনে করে দেবীর বেদীর পাশে সাজাতে হবে বই।
এছাড়াও সিদ্ধি, সিঁদুর, পুরোহিতবরণ ১টি করে, হরিতকি, পঞ্চগুঁড়ি, পঞ্চশস্য, পঞ্চরত্ন, পঞ্চপল্লব ১টি করেঘট ১টি,,ঘটা ঢাকা দেওয়ার,গামছা ১টি নৈবেদ্য ২টি। লাগবে, কুচা নৈবেদ্য, ১টি সরস্বতীর শাটী বা শাড়ি ১টি,লক্ষীর শাটী বা শাড়ি ১টি, চন্দ্রমালা ১টি,বিল্বপত্রমাল্য ১টি, থালা, ঘটি , শঙ্খ ১টি করে, লৌহ, নথ ১টি করে, লৌহ, নথ ১টি করে, লৌহ, নথ ১টি করে, রচনা, আমের মুকুল, যবের শীষ, কুল ১টি করে, আবির, অভ্র, মস্যাধার (দোয়াত) ও লেখনী ১টি করে, মস্যাধার (দোয়াত) ও লেখনী ১টি করে, ভোগের দ্রব্যাদি, মস্যাধার (দোয়াত) ও লেখনী ১টি করে।