ঢাকাসোমবার , ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

রাজশাহী মেডিকেলে চান্স পেলেন বগুড়া শেরপুরের সাংবাদিকের পুত্র অভি

মাসুম বিল্লাহ,
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪ ১:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

   
                       

মাসুম বিল্লাহ, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
২০২৩-২০২৪ শিক্ষা বর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার আম্মার ইয়াসির অভি। তার বাবা সাপ্তাহিক বিজয় বাংলা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাকের শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। মা ফাতেমা খাতুন শেরপুর উপজেলার শুভগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। পরিবারে এখন খুশির জোয়ার বইছে। তার এ সাফল্যে সাপ্তাহিক বিজয় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আকরাম হোসাইন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে তার উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবারেই মেরিট স্কোর ২৭৪.৭৫ এবং মেরিট পজিশন-১৪৬৯ তে সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বাবার একমাত্র ছেলে। তার আরও ২ বোন রয়েছে। আম্মার ইয়াসির অভি ৩ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড়। আম্মার ইয়াসির অভি ২০২১ সালে পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ, বগুড়া থেকে এসএসসি ও ২০২৩ সালে দেশের ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। উভয় পরীক্ষায় সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ অর্জন করেন।


আম্মার ইয়াসির অভির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সে ২০০৬ সালে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের জয়লাজুয়ান গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দাদার নাম আলহাজ্ব মোকছেদ আলী ভূঁইয়া। তার এই সাফল্যের জন্য তিনি ও তার পরিবার ঢাকার মিরপুরের এভারেস্ট একাডেমির পরিচালক ও অভির সেজ চাচা আরিফুজ্জামান রানা, চাচি শাপলা খাতুন এবং এভারেস্ট একাডেমির প্রথম ছাত্র ও প্রথম শিক্ষক তানভির হাসান হিমেলের নিকট বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ। এছাড়া শিক্ষক মন্ডলী, অনলাইন মডারেটর, অভির সিনিয়র যারা তাকে পড়াশুনায় উৎসাহ প্রদান করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মেডিকেলে ভর্তির সুযোগের খবর পেয়ে তার বাবা-মা সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন।
মিরপুরের এভারেস্ট একাডেমির পরিচালক ও অভির সেজ চাচা আরিফুজ্জামান রানা বলেন, এবার আমাদের কোচিং থেকে ৭জন মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৩জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এরমধ্যে আম্মার ইয়াসির অভি একজন। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।