ঢাকামঙ্গলবার , ৬ ডিসেম্বর ২০২২

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েও আলোকিত স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়ার করুন দৃশ্য লোপার জীবনে

মোঃ সাহেব আলী
ডিসেম্বর ৬, ২০২২ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

মোঃ সাহেব আলী- স্টাফ রিপোর্টার

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলাধীন গাড়াগ্রাম পশ্চিম বৈতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মোতাহার হোসেনের দুই মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে লোপা আক্তার।শিক্ষা জীবনে প্রাথমিক স্তর পাড় করেন সয়রাগন্ধ্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।এর পর শরিফাবাদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে পড়াশোনা করার মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করা এই মেয়েটি মেধার মূল্যায়নে ভর্তি হন রংপুর পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে।০৪ বছর মেয়াদি এই কোর্স সম্পুর্ন করার মাধ্যমে মেধা স্কোরে জায়গা করে নেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি(ডি আই ইউ)তে। বাবার দিন মজুরির আয়ে কোনো রকমেই সংসার চলতো। মোছাঃ লোপা আক্তার দুই বোনের মধ্যে ছোট। অভাবের তাড়নায় ইচ্ছা থাকলেও শিক্ষা ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন ভেস্তে বসেছে লোপার জীবনে। এখন উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে কি না এ দুচিন্তায় দিন পার করছেন।

কলেজে ভর্তির জন্য মেধাবী লোপা আক্তারের পরিবারের অর্থ না থাকায় উচ্চ শিক্ষায় ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। নিজের ইচ্ছে শক্তিকে প্রতিয়মান করতে টিউশনির টাকা দিয়ে আজ এত দূর পর্যন্ত বলে জানান অশ্রুশিক্ত এই মেধাবী শিক্ষার্থী।আর আজ ইচ্ছা থাকলেও উচ্চ শিক্ষা অর্জন করার স্বপ্ন ভেস্তে বসেছে অদম্য মেধাবী লোপার। দিনমজুর মোতাহার হোসেনের মেয়ে লোপা।লোপার মামা মোঃআব্দুল হাই জানান, টিউশনির টাকা দিয়ে পড়ালেখার খরচ যোগার করেছেন আমার ভাগিনী। শিক্ষক আর আত্মীয় স্বজনদের সহযোগিতায় এসেছে এতদূর। অর্থাভাব আর বাবা-মায়ের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হবার স্বপ্ন থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে আমার ভাগিনীর জীবনে। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়ে গরীব-দুঃখী মানুষের সেবা করতে চান লোপা আক্তার। এখন সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগিতাই পারে তার স্বপ্ন পূরণ করতে।

লোপা আক্তার বলেন, আমার বাবা একজন দরিদ্র কৃষক। গরীব বাবা আমাকে উচ্চ শিক্ষার জন্য কিভাবে কলেজে ভর্তি করাবে ভেবেই পাচ্ছিলামনা।এক সময় টিউশনি করে পড়ালেখার খরচ যোগাতাম আর আজ আমি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটিতে ১ম বর্ষে ইউনির্ভাসিটি জুরে ১ম হয়েছি আমার স্বপ্ন এই কৃতিত্বকে ধরে রেখে নিজেকে দেশের কল্যানে প্রস্তুত করা কিন্তু আমি কি তা পারবো!!অর্থের দারুন্যে আমার আলোকিত স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবেনাতো!!!!লোপা আর তার বাবা মায়ের স্বপ্ন আজ দূর আশার প্রতিক।লোপা তাকিয়ে রয়েছেন জন দরদি দুঃখী মেধাবীদের মা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার মুখপানে।