ঢাকারবিবার , ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদী স্থানীয়দের দখলে খননে বাধা।

মোঃ আনোয়ার হোসেন
ডিসেম্বর ১৮, ২০২২ ৪:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পচারহাট, কুঠিরডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত বুড়িতিস্তা নদী খনন উদ্বোধন কাজে বাধা দিয়েছে ডিমলা সদর ইউনিয়ন সহ পার্শ্ববর্তী ডোমার ও জলঢাকা উপজেলার সস্রাধিক স্থানীয় জনগন দখলদাররা।জানা যায়, একনেকের অনুমোদনে সারাদেশে ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পূণঃ খননের অধীনে ক্যাট প্রকল্পের আওতায় (পাউবো)নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ডিমলা বুড়ি তিস্তা নদী পূণঃখননে দৈর্ঘ্য ৪.৫০ কিঃমিঃ ও প্রস্থ ২.৫০ কিঃমিঃ ও ব্যারেজের খনন ৯ ফিট গভীরতায় প্রায় ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করে একনেক সভায়। ক্যাট প্রকল্পের আওতায় দর দাতা হিসেবে কাজটি পায় স্টান্ডার ইঞ্জিয়ারিং কোম্পানী। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আজ দুপুর ১২টায় বরাদ্দকৃত খনন কাজের উদ্বোধন করতে বুড়িতিস্তা নদী গেলে নদী পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার জনগন একত্রিত হয়ে নদী খনন উদ্বোধন কাজে বাধা দিতে আসার সংবাদ জেনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্টান্ডার ইঞ্জিয়ারিং কোম্পানী প্রশাসনকে অবগত করে। এরই প্রেক্ষিতে নীলফামারী জেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ এবং ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ লাইছুর রহমান সহ সঙ্গীয় ফোর্স ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন সেখানে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২.৩০ ঘটিকার সময় পঁচারহাট নামক স্থানে আসলে ডিমলা সদর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী ডোমার ও জলঢাকা উপজেলা স্থানীয় জনগন সংঘবদ্ধ হয়ে প্রশাসন ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে ১টি মোটরসাইকেল ও ১ টি মাটিকাটা এস্কেভেটর (ভেকু) গাড়ীতে হামলাকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়, ২টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে, ৬ সিলিন্ডার ৩টি মেশিন ও ৩২ হর্সের ২টি মেশিন আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের একটি টিনের ঘর ভাংচুর করে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জানান আমাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কয়েক কোটি টাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ডিমলা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন সহ ডোমার-ডিমলা সার্কেল আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কুঠির ডাঙ্গা গ্রামের স্থানীয় জনগন জানান, নদী খনন নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। তবে আমাদের আবাদী জমি খনন করতে দিব না। ম্যাপের যে নদী আছে সেটা তারা খনন করুক। ভুক্তভোগীগন বলেন, ইতিপূর্বে জমি নিয়ে মহামান্য হাইকোর্টে দুইটি মামলা এবং নীলফামারী নিম্ন আদালতে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন ও ডোমার-ডিমলা সার্কেল আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সংবাদকর্মীদের জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনাটি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ডিমলা, নীলফামারী
০১৭২১৬৭০৩৮৭