ঢাকাসোমবার , ২ জানুয়ারি ২০২৩

খানসামায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

উজ্জ্বল রায়
জানুয়ারি ২, ২০২৩ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

খানসামা প্রতিনিধিঃ

উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায়,দেশ গড়বো সমাজসেবায়”- প্রতিপাদ্যে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৩ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজনে এবং নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা সমূহের সহযোগিতায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‌্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে শুরু করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদের চত্ত্বরে এসে শেষ হয়।পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশিদা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি।এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সমাজসেবা কার্যালয় থেকে উপকারভোগী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন,উপজেলা এসিল্যান্ড মারুফ হাসান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন, খানসামা থানা অফিসার ইনচার্জ চিত্তরঞ্জন রায়,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম,সমাজসেবা অফিসার মাসুদ রানা,প্রাণী সম্পদ অফিসার হুমায়ুন কবীর,মৎস্য কর্মকর্তা রতন কুমার বর্মন ও উপকার ভোগীগণ।

উপকারভোগীদের মধ্যে প্রতিবন্ধী দীনবন্ধু রায় বলেন, আমি সমাজসেবা অফিস থেকে ঋণ নিয়েছি ৭৫ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে একটা গাভী গরু নিয়েছি গরুটিকে লালন পালন করলে একটা বাছুর হয় এবং সেই গরুর দুধ বিক্রি করে দৈনিকদিন ৩০০ টাকা উপার্জন হয়ে স্বাবলম্বী হই।আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সমাজসেবা অফিসকে ধন্যবাদ জানাই।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি সমাজসেবা অফিস থেকে ঋণ নিয়েছি ১লক্ষ টাকা। সেই টাকা দিয়ে আমার ছোট্ট পুকুরে ছোট পোনা ছেড়ে একটু বড় করে অন্য বড় পুকুরে ছেড়ে দিয়ে বড় করে বিক্রি করে আমি লাভবান হই

পল্লী মাতৃকেন্দ্রের সম্পাদিকা নন্দিনী রায় বলেন, আমি সমাজসেবা অফিস থেকে প্রথমে ঋণ নিয়েছি ২০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে আমি একটা খাসি ছাগল নেই।ছাগলটি লালন পালন করার পর সেই ছাগলটি বিক্রি করে একটি সেলাই মেশিন নেই। সেই মেশিনে কাপর সেলাই করে এখন দৈনিকদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা উপার্জন করছি। এছাড়াও আমার এই প্রকল্প গ্রামে ৮জন মহিলাকে এই রকম ঋণ নিয়ে দেই এবং তারাও স্বাবলম্বী হয়েছে।