ঢাকারবিবার , ৩১ মার্চ ২০২৪

মানব সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এম,এইচ,এ জাকারিয়া

মশিয়ার রহমান
মার্চ ৩১, ২০২৪ ৮:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

মশিয়ার রহমান নীলফামারী প্রতিবেদক-

-নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ বাসীর প্রিয়ব্যক্তি এলাকার গৌরব, এলাকার অহংকার,গরীবের বন্ধু, দুঃখী মানুষের সাথী,পরিচিতির শীর্ষে থাকা একটি নাম মেধাবি ও বহু গুনের অধিকারি সমাজসেবক এম,এ,এইচ জাকারিয়া সে সুনামধন্য ইউপি চেয়ারম্যান মৃতঃ আজিজার রহমানের ছেলে।সাধারন জনর্গনের খোজ খবর নেওয়া যার দ্বায়িত্ব,বিদ্রোহী কন্ঠ, অন্যায়ের প্রতিবাদী এক জ্বলন্ত অগ্নীগীরি।তিনি একজন সাধারন মানুষ হয়েও মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানো, সবার ভালবাসায় সিক্ত হওয়া ভয়কে জয় করাই, যার ইচ্ছা শক্তি, পরিশ্রম যার নিত্য দিনের সঙ্গী,তাকে আটকাতে পারেনি তার ইচ্ছা শক্তিকে।অসহায় মানুষদের খোজ খবর নেন,উন্নয়ন যার চিন্তা চেতনা, মানুষের ভালবাসাই তার মূল প্রেরনা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসীকতার এক উজ্জল নক্ষত্র।এলাকার মানুষের কাছে তিনি গরীবের বন্ধু,একজন মাটির মানুষ। তিনি কখনোই গরীব-ধনী,কামার-কুলিকে আলাদা নজরে দেখেননি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন নির্দিধায়। মানুষকে ভালবেসে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন আপন মনে।তিনি একজন সফল মানুষ সফল পিতা,সফল স্বামী, সফল সমাজ সংস্কারক, সৎ, ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ও সুশীল সমাজের সফল ব্যক্তিত্ব । সুন্দর আগামী সৃষ্টির জন্য শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত না থেকে এ মানুষটি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করছেন পরার্থে। পৃথিবীতে এমনও হাজারো মানুষ রয়েছে-যাদের হাজারো অর্থ-বৈভব রয়েছে কিন্তু নিজেকে পরার্থে বিলিয়ে দিতে নারাজ। পরের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখাটা যেনতেন ব্যাপার নয়, পুরোটাই ত্যাগের।এই গুণটি সবসময় দেখা যায়। প্রতি নিয়ত এলাকার সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিতে পেরেছেন ৷ তিনি সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এম,এ,এইচ জাকারিয়া। নিজের কাজের ব্যাস্ততার পাশাপাশি অসহায় দরিদ্র, অবহেলিত, শিক্ষা বঞ্চিত শিশু, ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার নেশা হয়ে দাড়িয়েছে। অগাদ ভালো বাসায় জড়িয়ে যান নিজ এলাকা সহ অন্য এলাকার অনেক অসহায় মানুষদের সঙ্গে।অনেক ধনবান মানুষ থাকলেও গরীবকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেওয়ার মতো মানুষ কিন্তু হাতে গোনা। আর সেই সব হাতে গোনা মানুষের মধ্যে তিনি ও একজন। নিজ এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছে তিনি ভরসাস্থল বলে মনে করেন অসহায় মানুষেরা। তাদের বিপদে আপদে সব সময় তার অবস্থান থাকে সবার আগে। গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষরা যখন দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোগাতে হিমশিম খান, তখন তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করা যেন তাদের কাছে অভিসাপ। ঠিক তখন ওই সব শিক্ষার্থীদের শিক্ষার খরচ বহনের হাত বাড়িয়ে দেন এই মানুষটি ৷ আর এসব কাজে শুধু অসহায় দরিদ্র মানুষের কাছেই তিনি প্রিয় নন,এলাকার অনেক নেতৃবৃন্দের মনে ভালবাসার স্থান জয় করেছেন। নিজ এলাকা থেকে নিরক্ষর মুক্ত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন।তাহা এখন বাস্তবে রুপ নিয়েছে।তিনি নিজ অর্থায়নে অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের কে প্রতিমাসে আর্থিক সহযোগিতা করেন।।এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, অসহায় পরিবারকে সাহায্য,এতিমখানা ও মিসকিনদের আর্থিকভাবে তিনি সাহায্য করে থাকেন।এছাড়া ও এলাকার তরুন ছেলেদের ফুটবল খেলায় সহয়োগিতা সহ ক্রীড়াঙ্গনে রয়েছে তার বিশেষ অবদান,বৃক্ষরোপন কর্মসূচি, , জননন্দিত, সহজ সরল, শান্ত সদা হাস্যময়, ভদ্র স্বভাব সুলভ আচরনের এ ব্যক্তিটি গুণে ধরা সমাজকে উন্নয়নের পথে আনতে চায়।এলাকার সচেতন মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি, মাদক, নারী নির্যাতন, বাল্য বিবাহ ইভটিজিং রোধে সব সময় তিনি সোচ্চার ভুমিকা রাখছেন। সমাজ সেবক এম,এ,এইচ,জাকারিয়া একজন সৎ ও ন্যায় নিষ্ঠাবান ব্যক্তি, পর অর্থ লোভী নয়। সকলের সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে অংশ খাতে উন্নয়ন ও গরীব দু:খীদের আর্থিক অভাব মোচনে এবং সমাজ সংস্কারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জীবন, জগৎ ও ধর্ম সম্পর্কে কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণার বিপরীতে স্বচ্ছ ও সঠিক ধারণা পোষণ ও লালনকারী, ধর্ম-কর্মে অনুরাগী, অনলবর্ষী, বাগ্মী, স্পষ্টবাদী ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এম,এ,এইচ জাকারিয়া।