ঢাকাসোমবার , ৯ জানুয়ারি ২০২৩

কুবিতে আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

দৈনিক প্রথম বাংলাদেশ
জানুয়ারি ৯, ২০২৩ ৭:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন (ছেলে-মেয়ে) প্রতিযোগিতা ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকাল আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে এ প্রতিযোগিতার সম্পন্ন হয়। এই প্রতিযোগিতায় মেয়েদের খেলায় পরিসংখ্যান বিভাগ প্রথম, গণিত বিভাগ দ্বিতীয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তৃতীয় স্থান লাভ করে। অন্যদিকে ছেলেদের খেলায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ প্রথম, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগ দ্বিতীয় এবং ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ তৃতীয় স্থান লাভ করে।

ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় যারা আয়োজন করেছন এবং যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সৌহার্দ পূর্ণ সম্পর্ক উদয় হোক। যারা ভালো খেলে তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হোক। যাতে পরবর্তিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘আমরা শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে চাই না, তার পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমের দিক থেকেও এগিয়ে যেতে চাই। আজকে ছাত্রছাত্রীদের যে অংশগ্রহণ যা আমাকে খুব আনন্দিত করেছে। আমরা চাই নারীর ক্ষমতায়ন সব দিকে বৃদ্ধি পাক। যার জন্য আমরা মেয়েদের জন্যও অন্যান্য খেলার কার্যক্রম চালু করেছি। শুধু তাই নয় নবাব আমরা ফয়জুন্নেসা হলে যারা খেলাধূলা সহ অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তাদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করেছি। আমি শারীরিক শিক্ষা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ আমাকে আমন্ত্রণ করার জন্য।’ উল্লেখ্য, এই আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবিভাগ (ছাত্র-ছাত্রী) ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় ১৯টি বিভাগের দল অংশগ্রহণ করছিল।