ঢাকাশুক্রবার , ২০ জানুয়ারি ২০২৩

স্বামীর দাবী নিয়ে স্ত্রীর বাড়িতে এসে ধাওয়া খেয়ে থানায় অভিযোগ ভুক্তভোগী স্বামীর

মোঃ ইয়াসিন আরাফাত
জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৪:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!
                       

মোঃ ইয়াসিন আরাফাত- রিপোর্টার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা আদর্শ পাড়ার মহাসীন শেখের মেয়ে আফসানা মিম (হীরা) ও গোপালগঞ্জ জেলার, কাশিয়ানী থানার, ভুতপাশা গ্ৰামের আজগর আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম (পরস) ২ জনের সহিত খুলনা জেলায় লেখা পড়া করা কালীন প্রেমের আবির্ভাব ঘটে এবং দীর্ঘ দিনের প্রেমের পর ইসলামীক সরিয়ামোতাবেক কাবিন মুলে গত ১/৩/২০১৮ তারিখে ১ লক্ষ্য টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় ২৮ নং ওয়ার্ড সিটি কর্পোরেশন খুলনা থেকে।

এবং হীরা প্রায় ই সময় স্বামীর বাড়িতে গিয়ে রাত জাপন করে থাকে। হীরার শশুর বাড়ীর লোকজন সহ ওই এলাকার বেশ কিছু লোকজন রবিউল ইসলাম এর স্ত্রী হিসেবে হীরা কে চেনে ও জানে। হীরার স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন, আমি ভালো বেসে হীরা কে বিবাহ করেছি ও ৫/৬ বছর ধরে তার যাবতীয় লেখাপড়া থেকে শুরু করে সমস্ত খরচের ব্যয়ভার আমি করেছি। হঠাৎ দেখি হীরার মোবাইল ফোন বন্ধ, তার পর আমার মা ও খালু কে নিয়ে লোহাগড়া পৌর এলাকার লক্ষী পাশা আদর্শ পাড়ায় শশুর বাড়িতে গত ৭/১/২০২৩ তারিখে আসি , এবং আমার স্ত্রী হীরার সাথে দেখা ও কথা হয়। ইতি মধ্যে আমার শশুর মহাসীন শেখ এসে বিবাহের ঘটনাটি শুনতে পাই, তার পর তিনি বলেন, আমার মেয়ের ৫/৬ বছর পূর্বে বিবাহ হয়েছে, কিন্তু তাতো আমি জানিনা।

এই বলে তার মেয়ের স্বামীর সাথে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে, একপর্যায়ে মহাসীন শেখ এলাকার কিছু বিশৃঙ্খল ছেলে ডেকে এনে তাদের কে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয় ও মারপিটের হুমকি দেখায়। পরিশেষে রবিউল ইসলাম পরস লোহাগড়া উপজেলা গেটে এসে গনমাধ্যম কর্মীদের কে জানান, গনমাধ্যম কর্মী ঘটনা স্থানে গিয়ে মহাসীন শেখের সাথে কথা হলে তিনি কোন সদ উত্তর দিতে পারেন নাই, রবিউল ইসলাম পরস ন্যায্য বিচার ও স্ত্রী কে পাবার আশায় লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে হীরাকে বাড়িতে না পাওয়ায় মুঠোফোনে ও একাধিকবার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।