ঢাকাশুক্রবার , ২০ জানুয়ারি ২০২৩

নড়াইলে ভুয়া চিকিৎসা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ভন্ড খোকন, পুষে রাখছেন মস্তান বাহিনী

মোঃ আজিজুর বিশ্বাস
জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

মোঃ আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার

নড়াইলের সদর উপজেলার আকদিয়া গ্রামের আব্দুর রউফ সিকদার ওরফে ( খোকন হুজুর) ভুয়া চিকিৎসক, ইউনানি ও আর্য়ুবেদের অপ চিকিৎসা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ভুয়া চিকিৎসক। সুত্রে জানাযায় দীর্ঘদিন ধরে এই ভুয়া চিকিৎসক জিনের আছর, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে দিবে,স্বামী স্ত্রীর মিলন, নিঃসন্তান দম্পত্তির সন্তান দেওয়া সেই সংগে আর্য়ুবেদ ও ইউনানি চিকিৎসা দেন। এলাকায় তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল সিন্ডিকেট। গত ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার সাংবাদিকরা সরজমিনে গেলে আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে থাকে তার থলের বিড়াল। ওই ভুয়া চিকিৎসকের শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি জেনারেল লাইনে কামিল পাশ। কিন্ত বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থায় জেনারেল বিভাগ বলে কোন বিভাগ নাই। আছে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যনিজ্য তাহলে তিনি কি সাধারন বিভাগ নিজে তৈরি করেছেন?
অপরদিকে ভন্ড চিকিৎসক খোকন কিভাবে আর্য়ুবেদ ও ইউনানি চিকিৎসা দেন এবিষয়ে সে কোন সদুত্তর দিতে পারে নাই। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কতৃক আর্য়ুবেদ ও ইউনানি চিকিৎসা প্রদানের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন আছে এবং ওষুধ রাখার জন্য ও ফার্মেসী আইন আছে। কিন্তু ভুয়া চিকিৎসক নিজ বাড়িতে আনুমানিক ৭/৮ লাখ টাকার ইউনানি ও আর্য়ুবেদের ওষুধ রেখেছেন। যা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের আইনের পরিপন্থী। কোন আইনের তোয়াক্কা না করে নিজ ইচ্ছা মত প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে ও পোষা মাস্তান বাহিনী হাতে রেখে অপচিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ওই দিন তিনি যখন সাংবাদিকদের প্রশ্নবানে জর্জরিত তখন তার লোকজন সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করে নড়াইল থানায় মিথ্যা মামলা দেয়। এ বিষয়ে সাংবাদিক সমাজ সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ভুয়া চিকিৎসকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এঘটনায় প্রেস ক্লাব, নড়াইলের সভাপতি এনামুল কবির টুকু জেলা আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুয়া চিকিৎসককে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। নড়াইল সদর উপজেলার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ববধায়ক ডাঃ সুব্রত কুমার বলেন এই বিষয়টি আমাদের আলাদা পার্ট। ঠিকানা দিন আমি সেখানে যেয়ে তদন্ত করে দেখবো। এবিষয়ে নড়াইল জেলার সিভিল সার্জন নাসিমা আকতারের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আপনারা কাগজ পত্র জমা দেন তারপর তদন্ত করে দেখবো এবং এ বিষয়ে সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্বাবধায়কের সাথে কথা বলতে বলেন।