ঢাকাশনিবার , ২৮ জানুয়ারি ২০২৩

সংবাদ সম্মেলন,পুঠিয়া থানায় প্রাণনাশের জিডি না নেওয়ায়

দৈনিক প্রথম বাংলাদেশ
জানুয়ারি ২৮, ২০২৩ ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!
   
                       

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করতে যাওয়া এক ব্যক্তির সাধারণ ডায়রী (জিডি) না নিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) এই ঘটনা ঘটে। পরে ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের, আফসার আলী সরদারের ছেলে মোঃ আলম আলী সরদার এর কাছে থেকে জানা যায় তার অভিযাগ, একই এলাকার মৃত, আব্দুল কুদ্দুস মোল্লার ছেলে, পুলিশের এএসআই ইকবাল বারি লিটন, গতকাল আলম আলী সরদার নামের ওই ব্যক্তি ও পরিবারকে প্রাননাশের হুমকি দেয়।

পরে এই বিষয়ে উপজেলার পুঠিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে সকাল দশটা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত থানায় বসিয়ে রেখে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) না নিয়ে থানা থেকে তাকে পাঠিয়ে দেয়। পরে এই বিষয়ে জানাতে সাংবাদিকদের ডেকে তিনি তার অভিযোগ তুলে ধরেন। এই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ভিডিও বক্তব্যে আলম আলী সরদার বলেন, গত ২০১৯ সালের জুলাই মাসের ২৩ তারিখে, আমার ভাই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ইউপি সদস্য মেম্বার পদে নির্বাচনী প্রচারণা করছিলেন। ঠিক রাত দশটার দিকে পুলিশের এএসআই আব্দুল বারী লিটন ও একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুস মোল্লার ছেলে, উজ্জ্বল হোসেন (সেনাবাহিনী অবসরপ্রাপ্ত) আমার ভাইকে রাতের আঁধারে তুলে নিয়ে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে ব্যাপক মারধর করেছিলো। এই বিষয়টি আমরা সে সময় পুরোপুরি বুঝতে পারিনি সেজন্য কোথাও কোনো মামলা করা হয়নি। বর্তমানে গতকাল আমার ভাইকে তারা যেভাবে মারধর করেছিল সেভাবে আমাকেও মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এতে করে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এই বিষয় নিয়ে একটি জিডি করার জন্য থানায় গেলে, থানার দায়িত্বপ্রাপ্তরা আমার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) না নিয়ে সকাল ১০ টা থেকে কাল ক্ষেপন করে, রাত ৮টার দিকে থানা থেকে চলে আসতে বলে। পরে নিজে বাঁচতে ও নিরাপত্তার জন্য সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়ে আমি তাদের কাছে ভিডিও বক্তব্য দিয়েছি। আমি ও আমার পরিবারের কোন লোকজনের ক্ষয়ক্ষতি হলে এর সকল দায়-দায়িত্ব উপরোক্ত ব্যক্তিগণ থাকিবে।

এবিষয়ে জানতে পুঠিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল বারির মুঠোফোন একাধিক বার কল দিলে ফোন রিসিভ না করার জন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।