ঢাকামঙ্গলবার , ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

পুরনো কম্পিউটার দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা ওয়াহিদ এর মাসিক আয় এখন লাখ টাকা

সানজিম মিয়া
জানুয়ারি ৩১, ২০২৩ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!
                       

সানজিম মিয়া – (গঙ্গাচড়া) রংপুর প্রতিনিধি

মফস্বল থেকে উঠে এসে ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ার এ ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন ওয়াহিদ ইসলাম নাম এর এক তরুণ। নিজের মেধা আর কঠিন পরিশ্রম এর মাধ্যমে আন্তজার্তিক মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজে কে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। ওয়াহিদ ইসলাম রংপুর এর গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়ন এর সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মইনুল ইসলাম তপন এর ছেলে। ২০২১ সালে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ডিপ্লোমা চলাকালীন সময়ে বন্ধু সবুজ এর মাধ্যমে জানতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে।

নিজের চেষ্টায় ২০১৯ সালে তার বাবার কাছে জেদ করে একটি পুরনো কম্পিউটার কিনে নিয়ে গ্রাফিক ডিজাইন শিখে নেমে পড়েন ফাইভার এবং আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিন-রাত পরিশ্রম এর পর মাত্র কয়েক মাসেই আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেস এ টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার হয়েছেন তিনি। এখন প্রতি মাসে তার ইনকাম ১৫’শ থেকে ২ হাজার ডলার। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে মাত্র ২৩ বছর বয়স এ মাত্র আড়াই বছরেই ইনকাম করেছেন প্রায় ৪০ হাজার ডলার। ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ ইসলাম বলেন, আমি ২০১৯ সাল থেকে ফ্রিল্যান্সিং করছি। গত ২.৫ বছর এর মধ্যে ৪০ হাজার ডলার এরও বেশি আয় করেছি। ফ্রিল্যান্সিং করে দেশের রেমিট্যান্স এ অবদান রাখছি। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসে টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় ও দেশ এর রেমিট্যান্স এ অগ্রণী ভূমিকা রাখায় ঢাকায় অবস্থিত দেশের অন্যতম আইটি প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে একটি “কোডম্যানবিডি” থেকে “টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার এওয়ার্ড” প্রাপ্ত হয়েছি। এছাড়াও আরও অন্যান্য বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি থেকে এওয়ার্ড পাওয়ার জন্য সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছি। আমি কাজ করছি ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট, ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট নিয়ে।

শুরুতে একাই ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করলেও বর্তমান এ আমার ১৫ সদস্য এর একটি ফ্রিল্যান্সিং টিম রয়েছে। আপওয়ার্ক, ফাইভার ও অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে সফলতার সাথে কাজ করছি। আমার লক্ষ্য আইটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করে বৃহৎ পরিসরে দেশ এর ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ক্লায়েন্টদের চাহিদা মাফিক আইটি সেবা প্রদান করে দেশের রেমিট্যান্স এ আরও অগ্রণী ভূমিকা রাখা এছাড়াও যদি সম্ভব হয় তাহলে দেশ এর তরুণ – তরুণীদের কে আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এর মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা। তিনি আরো বলেন, আমি এক বছর এর মধ্যে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে নিজ এলাকার মেধাবী তরুণ-তরুণীদের নিয়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রসারে কাজ করব। ইনশাআল্লাহ, এতে তরুণ প্রজন্ম নিজেদের ভবিষ্যৎ কে সুন্দর ভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারবে।